সোলাইমানি হ[ত্যাকাণ্ডে ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ ভূমিকায় সৌদি আরব

23

মার্কিন হামলায় নিহত এলিট কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানির নিহতের ঘটনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলছে তুমুল দ্বন্দ্ব। সম্প্রতি এ বিষয়ে মুখ খুলেছে ইরানের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরব।

শুক্রবার বাগদাদ বিমান বন্দরের কাছে মার্কিন বাহিনীর হামলায় জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সবাইকে সংযমী হওয়ার আহবান জানিয়েছে সৌদি আরব। এদিকে উত্তেজনা বাড়ে ইরানকে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেয়ার অনুরোধ করেছে ফ্রান্স, জার্মানি ও চীন।

সৌদি আরবের প্রভাবশালী পত্রিকা আরব নিউজ ঘটনার পর প্রথম পাতায় সোলাইমানির ছবি সম্বলিত একটি সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে। যার শিরোনাম ছিল ‘আর কাউকে হত্যা করতে পারবে না সে (সোলাইমানি)।’

এ দিকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর সৌদির একজন কূটনীতিক উভয় পক্ষকেই সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাছাড়া দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আদেল আল-জুবেইর এক টুইট বার্তায় বলেন, ঘটনার পর থেকে সৌদি আরব ক্রমশ বাড়তে থাকা উত্তেজনা কমিয়ে আনার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে।

কুদস বাহিনীর প্রধান সোলাইমানিকে একজন বিজ্ঞ সমরবিদ হিসেবে ধরা হতো, যিনি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আধিপত্য বিস্তার ও সৌদি আরবের প্রভাব কমিয়ে আনার কারিগর। আর তাই তাকে খুব একটা ভালো চোখে দেখেনি সৌদি সরকার।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় মেজর জেনারেল কাসেম সোলেমানি ও ইরাকি শিয়া সশস্ত্র সংগঠন হাশাদ আশ-শাবির উপ-অধিনায়ক আবু মাহদি আল-মুহানদিসসহ ছয়জন নিহত হন।

মার্কিন এ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে অঞ্চলটিতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ওই ঘটনায় আয়াতোল্লাহ আলি খামেনি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমির হাতামি, ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সাবেক কমান্ডার মোহসেন রেজায়িসহ ইরানের উর্ধ্বতন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা সোলেমানি হত্যার ঘটনায় আমেরিকাকে চড়া মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন।

Loading...
CopyAMP code