সোলাইমানি হ’ত্যাকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াল ইসরাইল

150

মার্কিন বাহিনীর হামলায় ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নি’হত হওয়ার পর এ বিষয়ে মুখ খুলেছে ইসরাইল। কোনো ঘোষণা ছাড়াই গোপনে জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হ’ত্যার নির্দেশ দেয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু।

ড্রোন হা’মলার মাধ্যমে জেনারেল সোলাইমানিকে হ’ত্যার নির্দেশ দেয়ায় ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সমস্ত প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন নেতানিয়াহু।

রোববার ইসরাইলের মন্ত্রীসভাকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন জায়গায় ‘স’ন্ত্রাসী হা’মলার পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়ন করেছিলেন’ জেনারেল সোলইমানি। ইরানের বিরুদ্ধে নেয়া অবস্থানে ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের পাশে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ভোররাতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার লেঃ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি মারা যান। ওই হামলায় জেনারেল সোলাইমানির সঙ্গে ইরাকের হাশদ আশ-শাবি’র উপপ্রধান আবু মাহদি আল-মুহানদিস’সহ দু’দেশের মোট ১০ জওয়ান ও কমান্ডার শহীদ হন।

মার্কিন এ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে অঞ্চলটিতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ওই ঘটনায় আয়াতোল্লাহ আলি খামেনি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমির হাতামি, ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সাবেক কমান্ডার মোহসেন রেজায়িসহ ইরানের উর্ধ্বতন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা সোলেমানি হত্যার ঘটনায় আমেরিকাকে চড়া মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন।

ইরানের সর্ব্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, সোলেমানির শহীদ হলেও তার কাজ বন্ধ থাকবে না। কিন্তু, যারা নিজেদের হাতে সোলেমানি ও অন্য শহীদদের রক্ত লাগিয়েছে তারা যেন তীব্র প্রতিশোধের অপেক্ষায় থাকে।