ক্যাসিনোকাণ্ডে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে পত্রিকায় রহস্যময় বিজ্ঞাপন

34875

সম্প্রতি রাজধানীতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু পর দেশজুড়ে আলোচনায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সম্রাট। তিনি যে কোনো সময় গ্রে প্তার হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। এর মধ্যে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে একটি জাতীয় দৈনিক বিজ্ঞাপন দিয়েছেন তিনি।

এতে তিনি বলেছেন, ‘সম্প্রতি কিছু পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও টেলিভিশনে অ বৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করা হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে কোনো কোনো রিপোর্টে উদ্দেশ্প্রণোদিতভাবে আমার নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যা আমার নজরে এসেছে।

আমি এসব মিথ্যা রিপোর্টের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে স্পষ্ট করে বলতে চাই, ক্যাসিনো বাবসার সাথে আমি কখনোই কোনোভাবে জড়িত নই এবং ছিলাম না। রাজনীতির বাইরে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সুনামের সাথে রড-সিমেন্টের ব্যবসা করছি। সরকার কর্তৃক যার বৈধ লাইসেন্সও রয়েছে। পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন প্রকল্পের অংশীদার হিসেবে ঠিকাদারি লাইসেন্সও রয়েছে। যার মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করছি। আমার সমস্ত আয় ও অর্জিত সম্পদ আয়কর প্রতিবেদনে প্রদর্শন করা রয়েছে। এর বাইরে আমার কোনো সম্পদ বা আয় নেই।’

তিনি আরো দাবি করেন, ‘এছাড়া, সাংগঠনিকভাবে যুবলীগ উত্তরের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কাজ শুরু করি। বর্তমানে যুবলীগ উত্তরের সুসংগঠিত সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড দেখে কোনো কোনো মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে গণমাধ্যমকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথা তথ্য দিয়ে প্ররোচিত করছে। যার ফলে দু-একটি গণমাধ্যম সম্পাদকীয় নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে আমার কোনো বক্তব্য না নিয়ে সেটি আবার প্রচারও করছে।

যার কারণে আমার এত বছরের নানা ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবিলা করে অর্জিত রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক মানসম্মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে যারা আমাকে বিতর্কিত করে পদ পেতে চায় এমন একটি গ্রুপও চলমান ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যবহার করছে। আমি মনে করছি, কোনো একটি সংঘবদ্ধ মহলের প্ররোচনায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য এসব মিথ্যা মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

তাই গণমাধ্যমের কাছে বিনীত অনুরোধ, কোনো তথ্য পেলে সেটি সত্যতা (প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি) যাচাই করে প্রচার ও প্রকাশ করা। না হলে মিথ্যা তথ্যের বলি হয়ে সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক অর্জন সবকিছু ভূলগ্ঠিত হয়; যা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ত হিসেবে কাজ করা গণমাধ্যমের কাছে কোনোভাবেই কাম্য নয়। গণমাধ্যমই পারে দেশের অগ্রযাত্রার সারথি হতে। পাশাপাশি এটাও বলতে চাই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দু র্নীতি, স ন্ত্রাসী ও অপরাধবিরোধী চলমান অভিযান সফল করতে ব্যক্তিগতভাবে সমর্থন করছি এবং দেশের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে তার সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করছি।’