এরশাদ পুত্রের উপর হামলা অথচ কাদের-রাঙ্গা নিরব কেন?

55

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পল্লীনিবাসে তার ছেলে রাহগীর আল মাহে সাদ এরশাদ এমপি ও তার স্ত্রীর ওপর হা’মলার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় শীর্ষনেতারা জড়িত কিনা তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন পার্টির একাধিক প্রেসিডিয়াম সদস্য। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের জমায়েতের মধ্য দিয়ে শনিবার বিকালে কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ হয়।

সমাবেশের সভাপতি পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু বলেন, এরশাদের পল্লীনিবাসে ছেলে ও পুত্রবধুর ওপর হা’মলা প্রকারান্তরে এরশাদ ও জাতীয় পার্টির ওপর হা’মলা। একজন সাংসদের ওপর এ ধরনের হা’মলার পরও পার্টির চেয়ারম্যান-মহাসচিব নীরব কেন? কেন তাদের বহিস্কার করা হয়নি? তাহলে কী এর সঙ্গে আপনারাও জড়িত? নেতা-কর্মীরা জানতে চায়। দ্রুত হা’মলাকারীদের বিচার না হলে আমরাই বিচার করবো।

প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুন বলেন, এরশাদপুত্রের ওপর হা’মলা নেতাকর্মীদের রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা এ ঘটনা বরদাশত করবো না। প্রশাসনের লোকেরা বলছেন আপনাদের চেয়ারম্যান-মহাসচিব চুপ কেন? তাদের নীরবতায় আমরা লজ্জিত। হা’মলার উচিত বিচার না হলে সারা দেশে প্রতিবাদ হবে, আমরাই তাদের প্রতিহত করবো।
মেজর (অব.) খালেদ বলেন, হা’মলার ঘটনা দলের মধ্যে ষ’ড়যন্ত্রের অংশ। এই ঘটনার বিচারে দলের বর্তমান নেতৃত্ব ব্যর্থ হয়েছে। তারা নীরব। এই নেতাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি আর চলবে না। নেতাকর্মীরা নতুন নেতৃত্ব চায়।

ইকবাল হোসেন রাজু বলেন, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ দুই মাস ধরে তিনি নির্বাচনী এলাকায় পড়ে আছেন। নিজের তহবিল থেকে সাহায্য করে যাচ্ছেন। সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে দলের নামধারী দুস্কৃতিকারীরা সাদের ওপর হা’মলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় যারা জড়িতদের আমরা ক্ষমা করবো না।