নুর আ’হত নাকি নি’হত হয়েছেন, ডাজ নট ম্যাটার : রাব্বানী

783

স্টাফ রিপোর্টার: নুর আ’হত নাকি নি’হত হয়েছেন, ডাজ নট ম্যাটার: রাব্বানী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর আ’হত নাকি নি’হত হয়েছেন, ডাজ নট ম্যাটার বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্র সংসদটির সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী।

রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ডাকসুতে নুর ও তার সহযোগীদের ওপর একটি পক্ষের হামলার পর রাব্বানী এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে ভিপি নুরকে আর ডাকসুতে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেও ঘোষণা দেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার বেলা ১টার দিকে ডাকসু ভবনে গিয়ে ভিপির কক্ষ এবং ডাকসু ভবনে ভাঙচুর চালায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের লোকজন। এ সময় নিজ কক্ষে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন ডাকসু ভিপি। এতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। হামলা-ভাঙচুরে ভিপি নুরসহ ২০ জন আ’হত হয়েছেন।

হামলার পর আ’হত ডাকসু ভিপি নুরুল হক অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক রাশেদ খান, ফারুক হোসেনসহ অন্যদের সাহায্য চেয়ে আকুতি জানাতে দেখা যায়।

নুরদের উপর হামলার বিষয়ে রাব্বানী বলেন, সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসুতে জড়ো হন নুর। এ সময় তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র, রড ও লাঠি ছিল। পরে ডাকসু ভবনের উপর থেকে নুরের নেতৃত্বে ইট পাটকেল মারা হয়।

নুরের উপর হামলার কথা ডাকসুর কাউকে জানায়নি বলে অভিযোগ করে রাব্বানী বলেন, ডাকসু ভিপি আক্রান্ত হলে কেন আমাদের জানাইনি। আমরা তাকে আশ্রয় দিতাম।
ভিপি নুর নিজের দুর্নীতি ঢাকতে বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসুকে ব্যবহার করে অরাজকতা করছেন বলেও অভিযোগ তুলছেন রাব্বানী। তিনি বলেন, নুরকে আর ডাকসুতে ঢুকতে দেয়া হবে না। তার পদত্যাগের মাধ্যমে ডাকসু শান্ত হবে।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এ জি এস সাদ্দাম হোসেন ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা চাই না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটুক। গত কয়েকদিন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও নুরের সঙ্গে শিবির সংশ্লিষ্টদের ধারাবাহিক সংঘর্ষের ঘটনা দেখছি। আজও ঐতিহ্যবাহী মধুর ক্যান্টিন ও ডাকসু ভবনে দুইপক্ষ মুখোমুখি অবস্থান করছিল। আমরা নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি। আমরা দুই পক্ষকেই আহ্বান জানাই, তারা যেন নিজেদের ভেতরের সমস্যা সমাধান করে নেয়।’
হামলায় ছাত্রলীগের হল প্রার্থীদের অনেককেই দেখা গেছে উল্লেখ করলে সাদ্দাম বলেন, ‘আমরা থামানোর জন্য গিয়েছিলাম।’

ঘটনার বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে তার নিজের ফেসবুক ওয়ালে তিনি লিখেছেন, ‘বহিরাগত শিবির ক্যাডারদের নিয়ে ক্যাম্পাসে হামলা ও অ’স্থিতিশীল করতে চেয়েছিল পাগলা নূরা। সচেতন শিক্ষার্থী ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ স্বাধীনতাবিরোধীদের সমুচিত জবাব দিয়েছে। এ ক্যাম্পাসে কোনো স্বাধীনতাবিরোধীদের জায়গা হবে না। নুরুর নাটক সবাই বুঝে গেছে!