সিএনজিচালকের সহযোগিতায় দুই নারীকে সংঘবদ্ধ ধ’র্ষণ, আ’টক ৭

মৌলভীবাজারে দুই নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষ’ণ মৌলভীবাজার থেকে কমলগঞ্জের মুন্সিবাজারে যাওয়ার পথে সিএনজি থামিয়ে দুই নারীকে সংঘবদ্ধ ধ’র্ষণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে দেওরাছড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে সাত জনকে আ’টক করেছে। ভিকটিমদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দুই ভিকটিম (একজনের বয়স ২২, আরেকজনের ২৪) জানান, মৌলভীবাজার থেকে বাড়ি ফেরার জন্য পৌরসভার সামনে থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশা রিজার্ভ করেন তারা। রাতে মুন্সিবাজারের উদ্দেশে রওনা করেন দুই জন। তাদের সঙ্গে একজনের একটি শিশু সন্তানও ছিল। কিন্তু কিছুদূর গিয়েই সিএনজিচালক প্রধান সড়ক বাদ দিয়ে ফাঁড়ি পথে যেতে শুরু করে। তারা প্রতিবাদ জানালে চালক রাস্তা খারাপের অজুহাত দেখায়। কিছু দূর যাওয়ার পর কালেঙ্গা এলাকা থেকে আরও দুই জনকে চালক গাড়িতে তোলে।

দুই নারী এর প্রতিবাদ জানালেও সিএনজিচালক চালিয়ে যেতে থাকে। কিছু দূর যাওয়ার পর পেছনে আরেকটি সিএনজি অটোরিকশার আলো দেখেন তারা। এক পর্যায়ে চালকসহ অন্যরা দেওরাছড়া চা বাগানের নির্জনস্থানে নিয়ে দুই জনকে সংঘবদ্ধ ধ’র্ষণ করে। বর্তমানে তারা মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে মূল হোতা ইউসুফসহ সাত জনকে আ’টক করেছে।

কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমান জানান, সাত জনকে আটকের পাশাপাশি তিনটি সিএনজি জব্দ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাদের নাম পরে প্রকাশ করা হবে।মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রাথমিক পরীক্ষায় ধ’র্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। আমার তত্ত্বাবধানে দুই নারীর চিকিৎসা চলছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *